বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৪৮ অপরাহ্ন
ব্যথা কমাতে আজই শুরু করুন নিয়মিত ব্যায়াম ও ঘুম।
অনলাইন ডেস্ক
একটানা বসে কাজ করার ফলে পিঠ ও কাঁধের ব্যথা এখন অনেকের জন্য নিয়মিতই হয়ে উঠেছে। নিয়মিত ব্যায়াম করার ক্ষেত্রে এই ব্যথা কিছুটা নিয়ন্ত্রণে থাকে, কিন্তু ব্যস্ত জীবনযাপন কিংবা অলসতার কারণে অধিকাংশ মানুষ তা এড়িয়ে যান। অনেকের ধারণা, শরীরিক পরিশ্রম না হলে ব্যথা হওয়াটাই স্বাভাবিক। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু বসার ভঙ্গিমাই নয়, পিঠ ও কাঁধের ব্যথার পেছনে আরও বিভিন্ন কারণ রয়েছে।
গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিশেষজ্ঞ মত অনুযায়ী, নিয়মিত কাঁধ ও পিঠে ব্যথা হালকা করে নেওয়া ঠিক নয়। কারণ এটি শরীরের সামঞ্জস্যে বড় ধরনের প্রভাব ফেলে। স্পাইনাল কর্ডে চাপ পড়লে পুরো পশ্চাৎভাগেই সমস্যা দেখা দিতে পারে। ফলে ক্লান্তি, মাথাব্যথা, মনোযোগ কমে যাওয়া এবং ঘুমের সমস্যাও দেখা দেয়। এমন ব্যথায় সহজ কোনো কাজ করাও কঠিন মনে হতে পারে।
অনিয়মিত ঘুম:
শরীর যথেষ্ট বিশ্রাম না পেলে মাংসপেশিতে প্রভাব পড়ে। রাতে পিঠ ও কাঁধ ঘোরাঘুরি করতে হয়, যার ফলে মেরুদণ্ড দুর্বল হয়। এই দুর্বলতার কারণে কাঁধ ও পিঠে অতিরিক্ত চাপ পড়ে এবং প্রচণ্ড যন্ত্রণার সৃষ্টি হয়।
পুষ্টির অভাব: পেশির সুস্থতার জন্য ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি এবং ম্যাগনেশিয়ামের মতো পুষ্টি উপাদান অপরিহার্য। এগুলোর ঘাটতি হলে পেশিতে টান ধরে এবং ব্যথাও বাড়ে। অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস এই সমস্যাকে তীব্র করে তোলে।
কাঁধ ও পিঠের ব্যথা কমাতে করণীয় –
প্রতিদিন অন্তত ৩০-৪০ মিনিট অন্তর শরীরের পশ্চাৎভাগ ঠিক রাখা প্রয়োজন। দীর্ঘ সময় একই অবস্থানে বসা বা দাঁড়িয়ে থাকা এড়ানো উচিত।
মানসিক চাপ কমাতে মেডিটেশন, যোগাসন এবং ফ্রি-হ্যান্ড ব্যায়াম করতে পারেন।
দৈনিক ৭-৮ ঘণ্টা গভীর ঘুম নিশ্চিত করতে হবে।
খাদ্যতালিকায় এমন সব খাবার রাখুন যাতে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি পর্যাপ্ত থাকে।
যদি ব্যথা কমে না, তাহলে অবশ্যই ফিজিওথেরাপিস্টের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।